ফরিদপুর সদর রাজনীতি

সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের স্থান যুবলীগে হবেনা-এ এইচ এম ফোয়াদ

সোহাগ জামান #
ফরিদপুর জেলা যুবলীগের আহবায়ক এ এইচ এম ফোয়াদ বলেছেন, ফরিদপুর জেলা যুবলীগের সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজদের স্থান হবেনা। যাদের বিরুদ্ধে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজীর নূন্যতম অভিযোগ থাকবে তাদের কোন কমিটিতে স্থান দেয়া হবেনা। এসব কর্মকান্ডের সাথে জড়িত কেউ যুবলীগে আসলেও তাদের দল থেকে বের করে দেয়া হবে। যুবলীগের কোন নেতাকে সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, শালিস বৈঠক করতে দেয়া হবেনা। যারা এসব কাজের সাথে জড়িত তারা দয়া করে যুবলীগ থেকে বিদেয় হন। নইলে অপমানজনকভাবে বিদেয় করা হবে। তিনি বলেন, ফরিদপুর জেলা যুবলীগ হবে সারাদেশের মধ্যে মডেল। এএইচএম ফোয়াদ মঙ্গলবার বিকেলে ফরিদপুরের অম্বিকাপুর ইউনিয়ন যুবলীগের ত্রি-বার্ষিক সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এসব কথা বলেন। অম্বিকাপুর ইউনিয়নের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় মাঠে অনুষ্ঠিত এ সম্মেলনের উদ্বোধন করেন যুবলীগ নেতা অ্যাডভোকেট মিজানুর রহমান। স্থানীয় যুবলীগ নেতা মোহাম্মদ আলী মিনারের সভাপতিতত্বে সম্মেলনে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন জেলা যুবলীগের যুগ্ম আহবায়ক অ্যাডভোকেট স্বপন পাল, শহিদুল ইসলাম হারুন, শহিদুল ইসলাম মজনু, শাহ এমার হক, মেহেদী হাসান মিন্টু, মেহেদী হাসান জনি প্রমুখ।
প্রধান অতিথির বক্তৃতায় যুবলীগের আহবায়ক ফোয়াদ আরো বলেন, আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠন হিসাবে যুবলীগ হচ্ছে সবচে শক্তিশালী। বিগত দিনের নির্বাচন গুলোতে যুবলীগ নেতা-কর্মীরা তাদের মনপ্রান উজার করে দিয়ে নির্বাচনী প্রচারনায় কাজ করেছে। কোন প্রলোভনের কাছে যুবলীগের নেতা-কর্মীরা কখনো মাথা নত করেনি আগামীতেও করবেনা। তিনি বলেন, ফরিদপুরের উন্নয়নের রুপকার, দক্ষিনবঙ্গের শ্রেষ্ঠ নেতা আলহাজ্ব ইঞ্জিনিয়ার খন্দকার মোশাররফ হোসেন এমপি দিনরাত নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছেন ফরিদপুরের উন্নয়নে। তার এই উন্নয়নের কারনেই বাংলাদেশের মধ্যে ফরিদপুর জেলা এখন সর্বশ্রেষ্ঠ জেলায় রুপান্তরিত হতে যাচ্ছে। যুবলীগের আহবায়ক আরো বলেন, আগামী দিনে যুবলীগের নেতাদেরই নেতৃত্ব দিতে হবে। সৎ এবং যোগ্য নেতা হিসাবে নিজেকে গড়ে তুলতো হবে। জননেত্রী শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে হলে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের আরো শক্তিশালী হতে হবে। সংগঠন শক্তিশালী হলে নিজেদের অবস্থানও শক্তিশালী হয়। সম্মেলনের মাধ্যমে যারা নতুন কমিটিতে আসবেন তাদের বিভিন্ন বিষয়ে দিক নির্দেশনামূলক কথা বলেন যুবলীগের আহবায়ক।
সম্মেলনের শুরুতে দলীয় ও জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। পরে বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে সম্মেলনের উদ্বোধন করা হয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *