জাতীয়

জেল থেকে নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার নির্দেশ দেন অধ্যক্ষ সিরাজ

অধ্যক্ষ সিরাজউদৌলা জেল থেকে নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার নির্দেশ দেন বলে দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। শনিবার (১৩ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টায় রাজধানীর ধানমণ্ডির ৪ নম্বর রোডে অবস্থিত নিজ কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে এ দাবি করে পিবিআই।

সংবাদ সম্মেলনে নুসরাত হত্যার ঘটনা তদন্তের সর্বশেষ অবস্থা তুলে ধরেছেন মামলার তদন্তকারী সংস্থা পিবিআইয়ের উপমহাপরিদর্শক (ডিআইজি) বনজ কুমার মজুমদার। সাংবাদিকদের বনজ কুমার বলেন, ‘ঘটনার দিন আনুমানিক সকাল ৯টা থেকে সাড়ে ৯টায় ঘটনাস্থলে ছিলেন নুর উদ্দিন, শাহাদাত হোসেন শামীম, জাবেদ হোসেন, হাফেজ আবদুল কাদের এবং আরও কয়েকজন।’

বনজ কুমার আরও বলেন, ‘নুসরাতকে পুড়িয়ে মারার আরও একটি কারণ আমরা জেনেছি। তা হলো- নুসরাতকে মামলার এজহারভুক্ত তৃতীয় আসামি শাহাদাত প্রেমের প্রস্তাব দিয়েছিল। তবে সে প্রস্তাব নুসরাত ফিরিয়ে দেয়। বিষয়টি মেনে নিতে পারেননি শাহাদাত। মনে মনে প্রচণ্ড ক্ষোভ জন্মে তার। নুরসাতকে পুড়িয়ে মারার পেছনে সেই আক্রোশটাও কাজ করেছে। ’

সংবাদ সম্মেলনে নুসরাত হত্যা মামলায় এজাহারভুক্ত নয় আসামির মধ্যে আটজনকে গ্রেফতার করা হয়েছে বলে তথ্য দেন তিনি। গ্রেফতারদের মধ্যে নূর উদ্দিন হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত থাকার বিষয়ে স্বীকার করে বিস্তারিত তথ্য দিয়েছে বলে জানান বনজ কুমার।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *