চরভদ্রাশন

চরভদ্রাসনে ১৪৪ ধারা ভঙ্গের অভিযোগ  

চরভদ্রাসন সংবাদদাতা    

ফরিদপুর জেলার চরভদ্রাসন উপজেলার বালিয়াডাঙ্গী গ্রামের নিবাসী ইয়াসমিন আক্তার , স্বামী মোস্তফা কামাল মোক্তাদীর  বসত বাড়ির বাউন্ডারী ওয়াল বৃহস্পতিবার (২২শে ডিসেম্বর) সকালে ১৪৪ ধারা ও আদালতের মুচলেকা  উপেক্ষা করে ভেঙ্গে দিয়েছে প্রতিবেশী আনোয়ার হোসেন মুসা , কামরুল ইসলাম , উভয়ের পিতা মোসলেম খান গংরা। 

 ইয়াসমিন আক্তার  প্রতিবাদ করায় তাকে ও তার পরিবারকে হুমকি প্রদাণ করেছে বলে চরভদ্রাসন থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন ইয়াসমীন আক্তার ।  

এ বিষয়ে অভিযুক্ত কামরুল ইসলাম জানান , বিষয়টি আমাদের পারিবারিক রাস্তা নিয়ে । আমরা যে রাস্তা দিয়ে চলাচল করি ঐ রাস্তার উপরে ইয়াসমিন আক্তার ওয়াল দিয়ে আমাদের চলাচল বন্ধ করে দেয় । এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ঐ ওয়াল ভেঙ্গে দেয় তবে প্রাণ নাশের ও হুমকির বিষয়টি মিথ্যা ও ভিত্তিহীন । আমরা তাদের কোন প্রাণ নাশের হুমকি দেই নাই । 

থানায় কার কাছে অভিযোগটির তদন্তে আছে  জানতে চাইলে বাদী ইয়াসমীন আক্তারের স্বামী মোস্তফা কামাল মোক্তাদীর জানান , আমার স্ত্রীর অভিযোগটির তদন্তের জন্য লিখিত অভিযোগের কাগজটি  চরভদ্রাসন থানার এস আই প্রবীরের নিকট আছে ।  তিনি আরো জানান , এ বিষয়ে ০৬/১১/২২ ইং তারিখে ফরিদপুরের বিজ্ঞ অতিরিক্ত জেলা  ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে মোকাদ্দমা করিলে বিজ্ঞ আদালত চরভদ্রাসন থানাকে নালিশী তফসিল ভুক্ত জমিতে শান্তি শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য বলা হয় এবং ০৯/০১/২০২৩ ইং তারিখ পর্যন্ত পরবর্তী আদেশের জন্য ধার্য করা হয়েছে ।  

তিনি আরো জানান , গত ১৯ শে ডিসেম্বর আমি নিরাপত্তা চেয়ে বিজ্ঞ নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট আদালত ফরিদপুরে আবেদন করিলে আদালতে উপস্থিত হয়ে কামরুল ইসলাম সহ ৫ জন বিজ্ঞ আদালতে মুচলেকা দিয়ে ক্ষমা চেয়ে আসেন । তারপরে ও আমাকে আমার স্ত্রীকে বিভিন্নভাবে হুমকি ধামকি দিয়ে আসছে । ওরা আমাকে ও আমার পরিবারকে যেকোন সময়  ক্ষতিসাধন করতে পারে । ইতি পূর্বে গত জুন মাসে আমাকে মেরে ফেলার জন্য হামলা চালায় এবং কুড়াল দিয়ে আমার শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে ক্ষতিসাধন করে । আমি এ বিষয়ে একটি মামলা ও করেছি যাহা বর্তমানে বিচারাধীন আছে , যা  চরভদ্রাসন থানার মামলা নং -৮ , তাং – ২৬/০৫/২২ ইং  । ঐ মামলা প্রত্যাহার করার জন্য আমাকে বিভিন্নভাবে প্রাণ নাশের হুমকি দিয়ে আসছে । এই চক্রটিকে সহযোগীতা করে আসছে স্থানীয় মনির মাস্টার । 

এ বিষয়ে চরভদ্রাসন থানার এস আই প্রবীর জানান , ইয়াসমীন আক্তারের তদন্তের জন্য কোন অভিযোগের কাগজ আমি হাতে পাই নাই । পেলে বিস্তারিত জানাতে পারবো । 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *