7 Kartrik 1427 বঙ্গাব্দ বৃহস্পতিবার ২২ অক্টোবর ২০২০
Home » ফরিদপুরের সংবাদ » ফরিদপুর সদর » অম্বিকাপুরে বিদ্যুৎস্পষ্টে যুবকের মৃত্যু

অম্বিকাপুরে বিদ্যুৎস্পষ্টে যুবকের মৃত্যু

কন্ঠ রিপোর্ট। ফরিদপুরের অম্বিকাপুর রেললাইন বাজারে বিদ্যুৎ বিভাগের ট্রান্সমিটার সংযোগ তারে জড়িয়ে মর্মান্তিক ভাবে মৃত্যু হয়েছে স্থানীয় ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খোকন মৃধা (৩২) নামের এক যুবকের। মঙ্গলবার বেলা ১২টার দিকে এ মর্মান্তিক ঘটনাটি ঘটে। স্থানীয়রা জানান, অম্বিকাপুর ফিডারে কাজ করার জন্য বিদ্যুৎ বিভাগ মাইকিং করে দুইদিন সকাল ৮টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত এলাকায় বিদ্যুৎ থাকবেনা। বিদ্যুৎ বিভাগের ঘোষনা মতে এলাকায় সকাল ৮টা থেকে বিদ্যুৎ বন্ধ ছিল। কিন্তু অম্বিকাপুর বাজারের একটি তুলার কারখানায় বিদ্যুৎ ছিল। এলাকাবাসীর ধারনা বিদ্যুৎ বিভাগের কতিপয় দুর্নীতিবাজ কর্মকর্তার যোগসাজসে কারখানায় অন্য ফিডার থেকে কিংবা ১৮ হাজার ভোল্ট লাইন থেকে বিদ্যুৎ সংযোগ নেয়া হয়। বেলা সাড়ে ১১টার দিকে বিদ্যুৎ বিভাগের সাবেক ফোরম্যান নিজাম এলাকার ইলেকট্রিক মিস্ত্রি খোকনকে জোর করে তুলার কারখানার সামনে থাকা ইলেকট্রিক ট্রান্সমিটারে কাজের জন্য উঠতে বলে। বিদ্যুৎ নেই এমনটা মনে করে খোকন নিজামের কথামতো মই বেয়ে উপড়ে উঠার পর বিদ্যুৎষ্পৃষ্ট হয়ে পড়ে। কিছুসময় পর সে নীচে পড়ে যায়। এসময় খোকনের শরীরের বিভিন্ন অংশ পুড়ে যায়। স্থানীয়রা খোকনকে হাসপাতালে নিলে চিকিৎসকেরা তাকে মৃত ঘোষনা করে। ওজোপাডিকো-২ (বিক্রয় ও বিতরন) বিভাগের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আরমানুল ইসলাম আরিফ ঘটনাস্থলে ছিলেন বলে স্থানীয়রা জানান। সাধারন মানুষ বিক্ষুব্দ হলে পরে তিনি দ্রুত এলাকা ত্যাগ করেন বলে জানান এলাকাবাসী। এ বিষয়ে আরমানুল ইসলাম আরিফের সাথে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। খোকনের মরদেহ এলাকায় পৌছালে সেখানে কয়েকশত মানুষ বিক্ষোভ প্রদর্শন করে। এসময় তারা সাবেক ফোরম্যান নিজামকে একটি ঘরে আটকে রাখে। পরে পুলিশ গিয়ে তাকে উদ্ধার করে। স্থানীয় বেশ কয়েকজন এলাকাবাসী অভিযোগ করে জানান, বিদ্যুৎ অফিসের কয়েকজন কর্মকর্তার যোগসাজসে তুলার কারখানায় অবৈধভাবে বিদ্যুৎ সংযোগ দেয়া হয়েছে। ঘোষনা দিয়ে বিদ্যুৎ বন্ধ থাকার পর কিভাবে তুলার কারখানায় বিদ্যুৎ ছিল তা নিয়ে স্থানীয় অনেকেই প্রশ্ন তুলেছেন।
এ বিষয়ে তুলার কারখানার মালিক অজুর্ন বাবুর সাথে মোবাইলে কথা বলার চেষ্টা করা হলে তার ফোনটি বন্ধ পাওয়া যায়। মৃত খোকনের স্ত্রী নুরজাহান বেগম জানান, আমার ১১ মাসের শিশু আলামিনকে নিয়ে আমি এখন কিভাবে বাঁচবো। আমার স্বামীকে পরিকল্পিতভাবে ডেকে নিয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমার স্বামী বিদ্যুতের কাজে যেতে চায়নি। নিজাম তাকে ডেকে নিয়ে যায়। আমি আমার স্বামী হত্যার চাই।

আরও পড়ুন...

ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন করেছে খেলাঘর

কন্ঠ রিপোর্ট ফরিদপুরে শিশু ও নারী নির্যাতন ও ধর্ষণের প্রতিবাদে মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করেছে খেলা …

শোলাকুন্ডু কেরামতিয়া মাদ্রাসায় নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত

কন্ঠ রিপোর্ট # ফরিদপুর সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের তাম্বুল খানায় অবস্থিত শোলাকুন্ডু কেরামতিয়া দাখিল মাদ্রাসায় …