30 Ashar 1427 বঙ্গাব্দ মঙ্গলবার ১৪ জুলাই ২০২০
Home » ফরিদপুরের সংবাদ » ফরিদপুর সদর » ‘হাইব্রিডদের পতন হওয়ায়’ উজ্জিবিত ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ

‘হাইব্রিডদের পতন হওয়ায়’ উজ্জিবিত ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগ

কামরুজ্জামান সোহেল #
ফরিদপুরে আওয়ামী লীগে হঠাৎ করে বয়ে যাওয়া রাজনৈতিক ‘টর্নেডোতে’ টালমাটাল অবস্থা বিরাজ করছে দলটির অভ্যন্তরে। দলের হাল সময়ের বেশীর ভাগ নেতাই এখন আত্মগোপনে রয়েছে। একসময় যারা দৌর্দান্ত দাপটের সাথে রাজনীতি করতেন এখন তাদের দেখা নেই। কেউবা আত্মগোপনে রয়েছেন আবার কেউবা রাজনীতি ছাড়াও ঘোষনা দিয়েছেন। ফলে দীর্ঘদিন পর ফরিদপুর জেলায় কোনঠাসা হয়ে পড়া আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতারা এখন দখলে রাখতে চলেছে জেলার রাজনীতি। ২০০৮ সালের পর থেকে আওয়ামী লীগের যেসব ত্যাগী নেতারা ‘হাইব্রিড নেতাদের’ কবলে পড়ে রাজনীতি থেকে নিজেদের গুটিয়ে নিয়ে ছিলেন তারা ফের সরব হচ্ছেন। বর্তমান সময়ের হাতে গোনা কয়েক নেতা মাঠে থাকলেও বেশীর ভাগ নেতাই এখন আতংকে রয়েছেন। সাম্প্রতিক সময়ে ফরিদপুর জেলার রাজনীতিতে সবচে বড় ‘চমক’ হিসাবে দেখা হয় জাদরেল কয়েক নেতাকে আটকের মধ্যদিয়ে। সাবেক মন্ত্রী,ফরিদপুর-৩ (সদর) আসনের এমপি খন্দকার মোশাররফ হোসেনের আস্থাভাজন হিসাবে পরিচিত আলোচিত দুইভাই ‘বরকত-রুবেল’ কে আটক করা হয়। জেলার রাজনীতি ছাপিয়ে দেশব্যাপী আলোচনায় আসা শহর আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সাজ্জাদ হোসেন বরকত ও তার ভাই ফরিদপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি ইমতিয়াজ হাসান রুবেল গ্রেফতারের পর পরই হঠাৎ করেই জেলার রাজনীতির দৃশ্যপট পাল্টে যায়। আটকের পর তাদের ডেরায় হানা দিয়ে পুলিশের বিশেষ বাহিনী অস্ত্র, মাদক, নগদ টাকা, সরকারী বিপুল পরিমান চাল উদ্ধার করে। এসব ঘটনায় বেশ কয়েকটি মামলা হয়। সেই মামলায় বরকত-রুবেল টানা রিমান্ডে রয়েছে। ফরিদপুর জেলার রাজনীতির প্রভাবশালী দুই ব্যক্তি আটকের পর গা ঢাকা দেয় জেলা ও শহর আওয়ামী লীগের প্রভাবশালী নেতারা। গ্রেফতার আতংকে দলের সহযোগী সংগঠনের বেশকিছু নেতাও আত্মগোপনে চলে যান। দলের একসময়ের প্রভাবশালী নেতাদের অভিযোগ, ২০০৮ সালের নির্বাচনের পর থেকে বিশেষ মিশন নিয়ে দলের ত্যাগী ও পরীক্ষিত নেতাদের আওয়ামী লীগ থেকে বহিস্কার কিংবা হামলা-মামলা করে দল থেকে সরিয়ে দেয়া হয়। বিগত দিনে যারা ফরিদপুর জেলায় আওয়ামী লীগকে শক্তিশালী অবস্থানে রাখার জন্য জেল-জুলুম নির্যাতনের শিকার হয়েছেন তাদের কোনঠাসা করে রাখা হয়েছিল। শুধু হামলা-মামলাই নয়, ‘নব্য আওয়ামী লীগাররা’ পথে-ঘাটে প্রকাশ্যে তাদের হেনস্তা করতেও দ্বিধা করেনি। নব্য নেতাদের কাছ থেকে ছাড় পায়নি প্রবীন নেতারাও। প্রবীন ও ত্যাগী নেতাদের বাদ দিয়ে বিএনপি-জামাত নেতা-কর্মীদের আওয়ামী লীগে যোগদান করানো হয়। তাদের দেয়া হয় দলের গুরুত্বপূর্ন পদ। আর এসব নেতারা প্রভাবশালী এক এমপির ছত্রছায়ায় থেকে ফরিদপুরে ‘রামরাজত্ব’ কায়েম করে। একসময়ে যারা বিএনপির ঘাঁটি হিসাবে পরিচিত ফরিদপুর জেলায় হামলা-মামলা নির্যাতন উপেক্ষা করে আওয়ামী লীগকে টিকিয়ে রেখেছিলেন তারা হালসময়ে সবচে বেশী নির্যাতনের শিকার হন। আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় থাকার পরও তাদের উপর চলে ষ্টিমরোলার। হাল সময়ের বিতকির্ত কয়েক নেতা টেন্ডারবাজী, জমি দখল, চাঁদাবাজী, সরকারী অফিস গুলো দখলে রাখাসহ এহেন কোন অপকর্ম নেই যা তারা করেনি। ফরিদপুর শহরে তারা যেটা চাইতো সেটাই হতো। প্রশাসন ছিল তাদের হাতের মুঠোয়। নামপ্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগের প্রবীণ একনেতা বলেন, দল ক্ষমতায় থাকার পরও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সাথে যিনি আগরতলা ষড়যন্ত্রের মামলায় আসামী ছিলেন সেই নুর মোহাম্মদ বাবুলকে দিনে-দুপুরে কুপিয়ে আহত করে ‘হাইব্রিড’ নেতাদের সন্ত্রাসীরা । শুধু নুর মোহাম্মদ বাবুলই নয়, তাদের হামলা থেকে রক্ষা পাননি আওয়ামী লীগ নেতা বদিউজ্জামান বাবুল, শওকত আলী জাহিদ, মনির হোসেন, তাওফিক হোসেন পুচ্চিসহ বেশ কিছু নেতা। নব্যদের দাপটে অসহায় হয়ে পড়েন দলটির বর্তমান সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন। তাদের কথা না শোনায় সৈয়দ মাসুদ হোসেনকে কোন অনুষ্ঠানে অংশ নিতে দেয়া হতোনা। এমনকি তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ভেঙ্গে গুড়িয়ে দেয়া হয়। প্রবীন নেতাদের প্রায় সবাইকে কোনঠাসা করে রেখে গোটা জেলার রাজনীতির নিয়ন্ত্রনে নেন ‘হাইব্রিড নেতারা’। সিন্ডিকেটের মাধ্যমে চালানো হতো সবকিছু। পেশী শক্তি ব্যবহার করে দমিয়ে রাখা হয়েছিল নিজ দল এমনকি বিএনপির নেতা-কর্মীদেরও। ‘হাতুরী বাহিনী’, ‘হেলমেট বাহিনী’ গঠন করে একসময়ের শান্ত জনপদ হিসাবে পরিচিত ফরিদপুর জেলাকে অশান্ত করে রাখা হয়েছিল। গত ৭ জুন প্রভাবশালী ও জেলার রাজনীতি নিয়ন্ত্রনকারী দুই ভাই বরকত-রুবেল সহ তাদের কয়েক সহযোগীকে আটকের পর এ জনপদের মানুষ অনেকটা স্বস্তির নিঃশ^াস ফেলে। তাদের আটকের পর আওয়ামী লীগের ত্যাগী নেতারা এমনকি সাধারন মানুষ রাস্তায় নেমে এসে আনন্দ মিছিল বের করে। করা হয় মিষ্টি বিতরন।
নব্যদের দাপটে এবং পথে ঘাটে অসম্মান করায় রাজনীতি থেকে দুরে সরে যেতে বাধ্য হন একসময়ের প্রভাবশালী নেতা অ্যাডভোকেট শামসুল হক ভোলা মাষ্টার, নুর মোহাম্মদ বাবুল, বিপুল ঘোষ, কবিরুল আলম মাও, একে আজাদ, সমির বোস, সৈয়দ মাসুদ হোসেন,খলিফা কামাল উদ্দিন, মাহাবুবুর রহমান খান, শামীমুল হক, জাহিদুর রহমান জাহিদ, মনিরুল হাসান মিঠু, শ্যামল কুমার ব্যানার্জী, ফারুক হোসেন, মাইনুদ্দিন আহমেদ মানু, খন্দকার মঞ্জুর আলী, নজরুল ইসলাম ডেবিট, নাজনিন হায়দার, আইভি মাসুদ, লিয়াকত হোসেন, জিয়াউল হাসান মিঠু, এম এ বাতিন, আমিনুল ইসলাম রিপন, অমিতাব বোস, কুদ্দুসুর রহমান, খায়রুদ্দিন মিরাজ, তাওফিক হোসেন পুচ্চি, আলিম হায়দার তুহিনসহ কয়েকশ নেতা।
ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের একাধিক প্রবীন নেতা জানান, ফরিদপুর জেলায় আওয়ামী লীগকে ধ্বংসের দিকে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল। নব্য গডফাদারদের কারনে জেলায় কারো টু শব্দটি করারও জো ছিলনা। গডফাদারদের বিরুদ্ধে গেলেই হাতুরী বাহিনী, হেলমেট বাহিনীর রোষানলে পড়তে হতো। এলাকা ভিক্তিক কমিটি গঠনের আড়ালে সন্ত্রাসীদের দিয়ে প্রতিপক্ষের লোকজনকে শায়েস্তা করতে গঠন করা হয়েছিল নানা বাহিনী। এ বাহিনীর সদস্যরা প্রকাশ্যেই অস্ত্রের মহড়া দিতো। মোটর সাইকেলের বহর নিয়ে দাপিয়ে বেড়াতো গোটা শহর। এদের কারনেই ফরিদপুর জেলার মানুষ স্বস্তিতে ছিলনা। এসব বিষয় নিয়ে আওয়ামী লীগের সভানেত্রী ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বরাবরে একাধিকবার অভিযোগ দেয়া হয়। নব্যদের নিয়ে গড়া কতিপয় আওয়ামী লীগ নামধারীরা একচ্ছত্র আধিপত্য বিস্তার করে রেখেছিল গোটা জেলাজুড়ে। তাদের কথায় চলতো সবকিছুই। স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তারা ক্ষমতার প্রভাব খাটিয়ে অনেককেই বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত করেছেন। নির্বাচন হয়নি উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদেও। তাদের মনোনীত নেতাদের বিনাপ্রতিদ্বন্দিতায় নির্বাচিত করা হয়েছে। বিভিন্ন সংগঠন গুলোকে তাদের নিয়ন্ত্রনে রাখার জন্য কমিটি বাতিল করে তাদের পক্ষের লোকজনকে বসিয়ে দেয়া হয়েছিল। ফলে এসব সংগঠন গুলো মুখ থুবরে পড়েছে। বেশ কিছু সংগঠনের অর্থ খাওয়া হয়েছে লুটেপুটে। সরকারী, বেসরকারী কলেজ গুলোতেও তাদের আধিপত্য বিস্তার ছিল। নিজেদের কর্মকান্ডে সরকারী কলেজের বাস দিয়ে লোকজন আনা নেওয়া করা হতো। বিভিন্ন মেসের শিক্ষার্থীদের জোর পূর্বক মিছিল-মিটিংয়ে অংশ নেওয়া ছিল বাধ্যতামূলক। হাট-বাজারের নিয়ন্ত্রনও ছিল তাদের লোকজনদের হাতে। ফলে স্বাভাবিক ভাবে কোন কিছুই চলতো না। জোরপূর্বক এবং ক্ষমতার অপব্যবহার করে তারা দিনকে রাত এবং রাতকে দিন করতো।
দীর্ঘদিন ধরে ক্ষমতার অপব্যবহার করা এবং নানা বিতর্কিত কর্মকান্ড করায় ক্ষমতাসীন দলের শীর্ষ নেতার কঠোর হস্তক্ষেপে অবশেষে পতন ঘটে ‘বরকত-রুবেল সামাজ্যের’ । সর্বশেষ গত ১৬ মে জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুবল চন্দ্র সাহার বাড়ীতে দু দফায় হামলার ঘটনা ঘটে। হামলাকারীরা ‘জয়বাংলা’ স্লোগান দিয়ে তার বাড়ীতে হামলা চালিয়ে ভাংচুর করে। এ ঘটনায় জেলাজুড়ে ব্যাপক আলোচনার জন্মদেয়। এ বিষয়ে সুবল সাহা দলের সভানেত্রীর কাছে অভিযোগ জানায়। আর এ ঘটনায় শীর্ষ পর্যায়ের নির্দেশে ফরিদপুরে কয়েকটি স্থানে অভিযান চালায় আইন শৃংখলারক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা। তাদের অভিযানে একে একে ধরা পড়ে দলের পদধারী কয়েক নেতা। আটক করা হয় এসব নেতার সহযোগীদেরও। পুলিশের অভিযানের পর সটকে পড়ে আরো বেশকিছু আলোচিত-সমালোচিত নেতারা। বর্তমানে তারা আত্মগোপনে রয়েছে বলে জানা গেছে। দল থেকে বহিস্কার করা হয় আটককৃত নেতাদের। বহিস্কারের তালিকায় রয়েছেন আরো কিছু নেতা।
বিতর্কিত ও হাইব্রিড নেতাদের আটকের পর স্বস্তি নেমে আসে ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের প্রবীণ ও ত্যাগী নেতাদের মাঝে। এ ঘটনার পর ত্যাগী নেতারা দলীয় কার্যালয়ে আসা শুরু করেছেন। প্রবীন নেতাদের ফের সবর হওয়ায় উজ্জিবিত হয়েছেন তৃনমূলের নেতারা। ফের তারা রাজনীতিতে ভালো কিছুর স্বপ্ন দেখছেন। বর্তমানে আওয়ামী লীগের প্রবীন ও ত্যাগী নেতারা দলের দুঃসময়ে যারা ছিলেন তাদের নিয়েই নতুন করে কমিটি করার আহবান জানিয়েছেন দলের সভানেত্রী শেখ হাসিনার প্রতি। দীর্ঘদিন পর গত মঙ্গলবার আওয়ামী লীগের ৭১তম প্রতিষ্ঠা বাষিকীর দিনে জেলা কার্যালয়ে প্রবীন, ত্যাগী ও বঞ্চিত নেতাদের মিলন মেলা বসেছিল। এ মিলন মেলায় অনেকেই একে অপরকে কাছে পেয়ে আবেগে আপ্লুত হয়ে পড়েন। এসময় অনেককেই বলতে শোনা যায়, ফরিদপুরে আওয়ামী লীগ আজ রাহুমুক্ত হয়েছে, স্বাধীন হয়েছে। এজন্য তারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
ফরিদপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহসভাপতি, সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট শামসুল হক ভোলা মাস্টার বলেন, আওয়ামী লীগকে ধ্বংস করতেই তারা মিশন নিয়ে দলে ঢুকেছিল। জামাত-বিএনপির নেতাদের নিয়ে তারা বিভিন্ন কমিটি করেছে। অবাধে লুটপাট করেছে। এহেন কোন অপকর্ম নেই যা তারা করেনি। তিনি বলেন, ফরিদপুরে দলকে ধ্বংসের হাত থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী বাঁচিয়েছেন। তার হস্তক্ষেপের কারনেই জেলা আওয়ামী লীগ আজ কলংকমুক্ত হয়েছে। এখনও বিতর্কিত যারা রয়েছে তাদের দ্রুতই বহিস্কার করতে হবে। আর বর্তমান কমিটি বাতিল করে নতুন কমিটি গঠন করতে হবে ত্যাগীদের নিয়ে। প্রবীন এ নেতা বলেন, আওয়ামী লীগ করতে গিয়ে যৌবনের শ্রেষ্ঠ সময় গুলো নানা নির্যাতনের শিকার হয়েছি। ২০০৮ সালের পর অনেক নেতাই আওয়ামী লীগ অফিসে ঢুকতে পারেনি। এখন আওয়ামী লীগ অফিসে এসে অনেক প্রবীন ও ত্যাগী নেতাদের দেখে খুব ভালো লাগছে।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক সৈয়দ মাসুদ হোসেন বলেন, আওয়ামী লীগকে তারা নিজেদের সম্পদ বানিয়ে যা ইচ্ছে তাই করেছিল। আমরা যারা বিতর্কিতদের সমালোচনায় মুখর ছিলাম তারা বিভিন্ন ভাবে আমাদের উপর স্টিমরোলার চালিয়ে আসছিল। আজ তাদের পতন হওয়ায় ফের নতুনভাবে উজ্জিবিত হয়েছে জাতির পিতার আর্দশে গড়া সংগঠনের প্রকৃত নেতা-কর্মীরা। এজন্য তিনি মাননীয় প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভানেত্রীকে বিশেষ ভাবে ধন্যবাদ জানান।

আরও পড়ুন...

ফরিদপুরে ‘সাদ পরিবহন’ চলাচলে বাঁধা প্রদানের অভিযোগ

বিশেষ প্রতিবেদক। ফরিদপুর জেলা বাস মালিক গ্রুপের সাবেক সাধারণ সম্পাদক কামরুজ্জামান সিদ্দিকী কামরুলের মালিকানাধীন সাদ …

ফরিদপুরে একদিনে নতুন করে আরো ৮৯ জনের করোনা সনাক্ত

সোহাগ জামান। ফরিদপুরে নতুন করো আজও ৮৯জনের করোনা সনাক্ত হয়েছে। এদের মধ্যে ফরিদপুর সদর উপজেলায় …