৩১ আশ্বিন ১৪২৬ বঙ্গাব্দ বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯
Home » এক্সক্লুসিভ » সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবার পথে

সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হবার পথে

সোহাগ জামান #
মনোনয়নপত্র জমাদানের শেষ দিনে ফরিদপুর সদর উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। সোমবার চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান ও মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে তিনজন মনোনয়নপত্র জমা দেন। আওয়ামী লীগের পক্ষ থেকে মনোনয়নপত্র জমা দেন কোতয়ালী থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি আবদুর রাজ্জাক মোল্লা। এছাড়া আওয়ামী লীগের সমর্থন নিয়ে ভাইস চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পত্র দেন সরোয়ার হোসেন সন্টু এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ফরিদা ইয়াসমিন। অন্যকোন প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা না দেয়ায় এ তিন প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হতে যাচ্ছেন। এছাড়া ফরিদপুরের ৮টি উপজেলায় আওয়ামী লীগের একাধিক বিদ্রোহী প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। বিএনপি থেকে নির্বাচিত দুই উপজেলা চেয়ারম্যানের মধ্যে নগরকান্দা উপজেলা চেয়ারম্যান শাহিনুজ্জামান শাহিন দলের সিদ্ধান্ত মোতাবেক মনোনয়নপত্র কেনেননি। অন্যদিকে, চলভ্রদাসন উপজেলা চেয়ারম্যান এজিএম বাদল আমিন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। জেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানাগেছে, ৯টি উপজেলায় চেয়ারম্যানপ দে ৪২ জন, ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৫৮ জন এবং মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান পদে ৩০ প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ফরিদপুর সদর উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে কেবলমাত্র আওয়ামী লীগের প্রার্থী আবদুর রাজ্জাক মোল্লা মনোনয়নপত্র জমা দেন।
মধুখালী উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের প্রার্থী মির্জা মনিরুজ্জামান বাচ্চু মনোনয়নপত্র জমা দেন। এছাড়া বিএনপি নেতা ও বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান গোলাম মনসুর নাননু মনোনয়ন পত্র জমা দেন। বোয়ালমারী উপজেলায় আওয়ামী লীগের হয়ে মনোনয়ন পত্র জমা দেন বর্তমান চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন মুশা মিয়া। এছাড়া মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন উপজেলা কৃষক লীগের যুগ্ম আহবায়ক লিটন মৃধা। আলফাডাঙ্গা উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এস এম আকরাম হোসেন। এছাড়া আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি আকরামুজ্জামান শেখ, বর্তমান চেয়ারম্যান এস এম জালালউদ্দিন, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সাধারন সম্পাদক খান মোঃ বেলায়েত হোসেন, বানা ইউনিয়ন কৃষক লীগের সভাপতি কাজী হারুন অর রশিদ, উপজেলা যুবলীগের সাবেক সদস্য কে এম জাহিদুল ইসলাম। স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন শেখ আবদুর রহমান জিকো, মোঃ আরম খান ও ইব্রাহিম মোল্লা। ভাঙ্গা উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন মোঃ জাকির হোসেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দেন বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান শাহাদাত হোসেন, জেলা আওয়ামী লীগের সহ সভাপতি কাজী হেদায়েতউল্লাহ সাকলায়েন, সাবেক উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান এনামুল হোসেন অপু। স্বতন্ত্র হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন ব্যবসায়ী এস এম হাবিবুর রহমান। সদরপুরে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন সায়েদীদ গামাল লিপু। দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান কাজী শফিকুর রহমান, জেলা আওয়ামী লীগের উপ প্রচার সম্পাদক মোঃ আনিসুর রহমান খান। চরভদ্রাসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোঃ কাউসার। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক যুগ্ম সম্পাদক আনোয়ার আলী। জাকের পাটির প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন মোঃ রাজা খান, সদর ইউপির সাবেক চেয়ারম্যান আবদুস সাত্তার, আবুল বাশার, মোঃ খবির উদ্দিন শেখ, মোঃ ইলিয়াস বেগ, মোশাররফ হোসেন, স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বর্তমান চেয়ারম্যান, বিএনপি নেতা এজিএম বাদল আমিন, উপজেলা বিএনপির সভাপতি মোতাজ্জেল হোসেন মৃধা।
নগরকান্দা উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান মনিরুজ্জামান সরদার। দলের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন কাজী শাহ জামান বাবুল। জাকের পার্টির প্রার্থী হিসাবে মনোনয়নপত্র জমা দেন খায়রুজ্জামান টিটু এবং যুবদল কেন্দ্রীয় কমিটির সাবেক সদস্য তালুকদার নাজমুল হাসান।
সালথা উপজেলায় আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন। বিদ্রোহী প্রার্থী হিসাবে মনোনয়ন জমা দেন গট্রি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আবদুল ওয়াদুদ মাতুব্বর। এছাড়া জাকের পার্টির সভাপতি সরোয়ার হোসেন বাচ্চু, সৈয়দ মাহাতাব আলী মিলটন মনোনয়ন পত্র জমা দিয়েছেন।

আরও পড়ুন...

ছাত্রলীগের কর্মকান্ডে অসন্তোষ আছে, কমিটি ভাঙ্গার সিদ্ধান্ত হয়নি: কাদের

আওয়ামী লীগ সাধারন সম্পাদক ওবায়দুল কাদের বলেছেন, ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙ্গে দেয়ার ব্যাপারে আনুষ্ঠানিক কোনো সিদ্ধান্ত …

সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়ে ছাত্রলীগের কমিটি ভেঙে দিতে বললেন প্রধানমন্ত্রী

নানা বিতর্কিত কর্মকান্ডের জন্য ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের প্রতি ক্ষুব্ধ হয়েছেন সংগঠনটির সাংগঠনিক সভাপতি …