নগরকান্দা

সালথায় ইউপি সদস্যের উপর হামলার বিচার চাইলেন স্বজনেরা

বিশেষ প্রতিবেদক।
ফরিদপুরের সালথা উপজেলার যদুনন্দি ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ডের বর্তমান ইউপি সদস্য ও ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ইমরুল খানের উপর সন্ত্রাসী হামলার ঘটনা ঘটেছে। শুক্রবার সকালে চিহিৃত সন্ত্রাসীরা ইমরুল খানকে কুপিয়ে মারাত্বক ভাবে আহত করে। বর্তমানে ইউপি সদস্য ইমরুল খানকে ফরিদপুর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ট্রমা সেন্টারে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে যদুনন্দি ইউনিয়নে উত্তেজনাকর পরিস্থিতি বিরাজ করছে। এ ঘটনায় ৫ জনকে আসামী করে সালথা থানায় একটি অভিযোগ দাখিল করা হয়েছে। এদিকে, ইউপি সদস্যের উপর হামলার সাথে জড়িতদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবী জানিয়েছে তার পরিবারের সদস্য এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগের নেতারা।


ইউপি সদস্য ইমরুল খানের পরিবারের পক্ষ থেকে শনিবার ফরিদপুরে এক সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে ইউপি সদস্য ইমরুল খানের মেয়ে নিতু খান বলেন, তার বাবা দীর্ঘদিন ধরে ইউপি সদস্য হিসাবে রয়েছেন। এজন্য স্থানীয় কয়েক চিহিৃত আসামী তার বাবার কাছে মোটা অংকের টাকা চাঁদা দাবী করে। গত ১৫দিন আগে তার বাবা সন্ত্রাসীদের ভয়ে ৫০ হাজার টাকা দেন। পরবর্তীতে ফের তারা আরো টাকা চাঁদা দাবী করে। চাঁদার টাকা না দেওয়ার কারনে শুক্রবার সকালে আসামীরা তার বাবাকে লোহার রড, হাতুরী, কাঠের বাটামসহ দেশীয় অস্ত্রদিয়ে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্বক ভাবে আহত করে। সন্ত্রাসীদের হামলায় তার বাবার পিঠের কয়েকটি হাড় ভেঙে গেছে। এ ঘটনার পর সালথা থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করা হলেও পুলিশ এখনো কাউকে আটক করতে পারেনি। সংবাদ সম্মেলনে ইউপি সদস্য ইমরুল খানের পরিবারের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন। আহত ইমরুল খানের ভাই রাজু খান বলেন, খারদিয়া গ্রামের ইরন খন্দকার, হিমায়েত মোল্যা, ওহিদ খন্দকারসহ কয়েকজন তার ভাইকে বাড়ী থেকে ডেকে নিয়ে চাঁদার টাকা চান। এ নিয়ে বাক বিতন্ডার এক পর্যায়ে তারা ইমরুলকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে মারাত্বক ভাবে আহত করে। যদুনন্দি ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক আলমগীর মিয়া বলেন, আওয়ামী লীগ নেতা ও ইউপি সদস্যের উপর হামলার ঘটনাটি যারা ঘটিয়েছে তাদের দ্রুত গ্রেফতার করে বিচারের আওতায় আনতে হবে।
ইউপি সদস্যের উপর হামলার সাথে জড়িতরা পলাতক থাকায় তাদের কারো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
সালথা থানার ওসি আশিকুজ্জামান জানান, ইউপি সদস্যের উপর হামলার ঘটনার বিষয়ে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *